পারর্ত্যঞ্চলকে দেশ থেকে আলাদা করার ষর্যন্ত করছে সন্তু লারর্মা সংসদে এমপি চিনু।

পারর্ত্যঞ্চলকে দেশ থেকে আলাদা করার ষর্যন্ত করছে সন্তু লারর্মা সংসদে এমপি চিনু।

 

1489324736269

 

হিন্দুনববার্তা বাংলা ডেস্ক: ১২.০৩.২০১৭.

সরকারের সুযোগ সুবিধা বহন করে সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলন দেয়ার নামে সন্তু লারমা যে ডাক দিয়েছে তার বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন মহিলা সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু। তিনি রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য কালে তিনি এ আহবান জানান।

তিনি বলেন, একজন মন্ত্রীর চাইতেও আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান সন্তু লারমা অনেক বেশী সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করছে। বাংলাদেশের পতাকা বহন করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনের নামে পার্বত্য অঞ্চলকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে সন্তু লারমা। তিনি সন্তু লারমার বিরুদ্ধে সরকারকে আরো বেশী কঠোর হতে প্রধানমন্ত্রীকে আহবান জানান।

তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে আঞ্চলিক রাজনীতির নামে অস্ত্রবাজী, চাঁদাবাজীতে নেমেছে আঞ্চলিক সংগঠন গুলো। এই চাঁদাবাজীর টাকা দিয়ে তারা ভারী ভারী অস্ত্র কিনে পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ মানুষের উপর জুলম করছে।

সাধারণ মানুষ আজ তাদের উপর মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তিনি বলেন, তারা এখন আধিপত্য বিস্তারের জন্য শহরে উপকষ্ঠে গোলাগুলি শুরু করেছে। তিনি এসব অস্ত্রবাজদের বিরুদ্ধে আরো বেশী সোচ্চার হওয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবী জানান।

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফিরোজা বেগম চিনু বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে বৃহত্তর উপজেলা হচ্ছে বাঘাইছড়ি উপজেলা। এই উপজেলা বাংলাদেশের একটি জেলার সমতুল্য। কিন্তু এই জেলাতে কোন ফায়ার স্টেশন নেই। তিনি বাঘাইছড়ি উপজেলায় একটি ফায়ার স্টেশনের দাবী জানান।

তিনি বলেন পার্বত্য রাঙ্গামাটির ৬ টি উপজেলা হচ্ছে নদী পথে যোগাযোগ। তাই কোন উপজেলায় যদি অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয় তাহলে ফায়ার সার্ভিস যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। তিনি অগ্নিকান্ড রুখতে রাঙ্গামাটি নৌ ফায়ার ষ্টেশন স্থাপনের উপর সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ফিরোজা বেগম চিনু আরো বলেন, কর্ণফুলী পেপার মিল একটি ঐতিহ্যবাহী পেপার মিল। এই মিলকে আধুনিকায়ন করতে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।

সংসদের প্রদত্ত বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রভাবশালী এই নারী সংসদ সিএইচটি টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, রাষ্ট্রীয় সুযােগ-সুবিধা গ্রহণ করে, রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী গাড়িতে চড়ে, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যারা অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয় তাদেরকে নিয়ে সরকার বর্তমান সময়ে ভাববার সময় এসেছে।

এবং সেই সাথে পার্বত্যাঞ্চলে বর্তমানে যে হারে চাঁদাবাজি, অপহরণ, খুন-গুমের মতো ঘটনা ঘটে চলেছে এসবের বিরুদ্ধে যদি তড়িৎগতিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা নাহয়, তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে না। আমরা যারা পাহাড়ি-বাঙ্গালী সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করছি সকলেই তাদের অত্যাচারে অতিষ্ট্য দিনযাপন করছি।

তিনি বলেন, আমি পার্বত্যবাসীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সংসদে তুলে ধরে অতি শীঘ্রই পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সময় এসেছে। সরকারের উচিত এখনই এসবের বিরুদ্ধে আশু পদক্ষেপ নেওয়া।

হিন্দুনববার্তা বাংলা ডেস্ক:

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s