সুপ্রিমকোর্ট এর সামন থেকে গ্রীক দেবীর মূর্তি অপসারন করতে প্রধান বিচার পতির কাছে আর্জি করবো – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সুপ্রিমকোর্ট এর সামন থেকে গ্রীক দেবীর মূর্তি অপসারন করতে প্রধান বিচার পতির কাছে আর্জি করবো – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

1492056906183

কিছু কষ্ট, কিছু বেদনা কার নিকট বলবো!

আমাদের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সুপ্রীম কোর্টের সামনে গ্রিক মুর্তি স্থাপন তার পছন্দ না। সেটা নিয়ে জাগ্রত হিন্দু যুবকদের মাঝে অনুযোগ দেখার মত। অথচ সে কথা আমি জানি আরো বহু আগেই। গ্রামে যে কোন ব্যক্তি নির্ভুলভাবে বলে দিতে পারে জ্যোষ্ঠি মাসে আম পাকে। এটা কিভাবে সে বলতে পারে? এটা দীর্ঘ অভিজ্ঞাতর ফল। প্রধান সেই পরিবারের সন্তান, যার পিতা হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষ বশতঃ মুসলিম লীগে যোগ দিয়েছিলেন। ভারত ভেঙ্গে মুসলমাদের জন্য আলাদা ভুমি পাকিস্থানের জন্য লড়াই করেছেন। সেই পরিবার থেকে অসাম্প্রদায়িকতা আশা করেন কিভাবে? করলার বীজ গুড় মেখে রোপন করে আপনি ফজলি আমের মত মিস্টি করলা যেমন আশা করতে পারেন না। তেমনি কোরান হাদিস বিশ্বাসী কোন মুসলমানের কাছ থেকে মুর্তি পুজারীদের সাথে সদ্ভাব আশা করতে পারেন না। শুধু গ্রীক মুর্তি না আপনার আমার পুজিত মুর্তিও তার পছন্দ না। সেকথা তিনি তো গোপন করেনি। তিনি ডিজিটাল কোরান উদ্বোধন করতে গিয়ে হুজুরদের নির্দেশ দিয়েছেন অমুসলিমদের কাছে ইসলামের দাওয়াত দিতে। তিনি বলেছেন মদিনা সনদ অনুযায়ী দেশ চালাবেন। তিনি বলেছেন নবীর দেখানো পথে দেশ চালাবেন। নবীর দেখানো পথে দেশ চালালে দেশে মুর্তিপুজা থাকে?

1492056934486

নবীর একমাত্র কাজই তো ছিল মুর্তিপুজা ও মুর্তিপুজারীদের ধ্বংস করা। মক্কা মদীনায় উনি তো তাই করেছিলেন। মক্কা অভিযানের পর তিনি শুধু মক্কা না আশে পাশের সকল মন্দির ও মুর্তি ধ্বংস করার নির্দেশ  দিয়েছিলেন এবং নিজ হাতে মক্কার মুর্তি ধ্বংস করেছিলেন। সেই ইসলামের খেদমতে তার পিতা যেমন ইসলামিক ফাউন্ডেশন, মাদ্রাসা বোর্ড, ও আইসির সদস্য পদ নেওয়া, ইসলাম প্রচারের জন্য বিশ্ব এস্তেমার জন্য জমি দিয়েছেন, তেমনি তার কন্যা আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, মাদ্রাসার জন্য সবচেয়ে বেশী টাকা বরাদ্দ, এরশাদের সাথে যুক্ত হয়ে রাষ্ট্রধর্ম বহাল রাখা, প্রত্যেক উপজেলায় মডেল মসজিদ তৈরী, হেফাজতের মাদ্রাসায় ধর্ম নিরপেক্ষ ছাত্র তৈরীর জন্য কোটি কোটি টাকার জমি দান সহ কত কাজ করছেন। ফলাফল জঙ্গীগুলো মরার আগে জামাত বিএনপি আর মারা যাওয়ার পর পরিচয় মেলে আওয়ামীলীগ পরিবারের ছেলে বা জামাই। এই মানসিকতার করনেই। দেশে যখন মন্দির প্রতিমা ভাংগার উৎসব চলছিল, পুরোহিতদের গলাকাটা চলছিল, হুজুররা হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে অশালিন মন্তব্য করে ওয়াজ করছিল তার বিরুদ্ধে তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। অথচ নবীর বিরুদ্ধে কটুক্তির অযুহাতে কত হিন্দু প্রতিনিয়ত নির্যাতিত হয়েছে অাজও হচ্ছে। আইন অনুসারে কোন রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের সময় যারা বিরোধিতা করে তারা শত্রু রাষ্ট্র। সে হিসাবে পাকিস্থান, আরব রাষ্ট্রসমূহ, আমেরিকা, চীন বাংলাদেশের শত্রু রাষ্ট্র হওয়ার কথা। সেই সব দেশে গেলে তার সম্পত্তি শত্রুরাষ্ট্রে বসবাসকারী হিসাবে শত্রু সম্পত্তি হবে। কিন্তু হল উল্টোটা। কারণ ভারত যতই সহযোগীতা করুক। রাষ্ট্রটি দারুল হরব। অর্থাৎ মুর্তি পুজারী কর্তৃক শাসিত রাষ্ট্র। সেই জন্য আরব নয়, চীন নয়, আমেরিকা নয়; ভারত গেলে আপনার সম্পত্তি এনিমি প্রপার্টি। এই মানষিকতার কারনেই শেখ মুজিব ক্ষতিগ্রস্থ রমনা কালি মন্দির ১৯৭৩ সালের ১৩ই মে ধ্বংস করেন। জাগ্রত হিন্দু সমাজ মন্দির প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরু করলে বর্তমান প্রধান মন্ত্রী সেই পবিত্র জায়গায় স্বাধিনতা স্তম্ভ তৈরী করেছে। এখন আপনি আপনার পবিত্র ভুমি ফেরৎ চাইলে আপনি স্বাধিনতা বিরোধী। হায়রে হিন্দু সমাজ কবে সচেতন হবে?

হিন্দু নববার্তা ম্যাগাজিঙ নিউজ ১৩.০৪.২০১৭.

ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s